বিএনপির
প্রাক্তন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১০
সালের আজকের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা
যান।
প্রাক্তন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পরিবার ও আবদুল মান্নান ভূঁইয়া পরিষদের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকালে শিবপুরের ধানুয়া গ্রামে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ। বিকেলে শিবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আবদুল মান্নান ভূঁইয়া পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্মরণসভা, মিলাদ ও ইফতার মাহফিল।
উল্লেখ্য, আবদুল মান্নান ভূঁইয়া ১৯৪৩ সালের ১ মার্চে মনোহরদী উপজেলার চন্দনবাড়ী ইউনিয়নের আসাদনগর গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি শিবপুর উপজেলার মাছিমপুরে।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯৭৮ সালে মান্নান ভূঁইয়া ইউনাইটেড পিপলস পার্টির (ইউপিপি) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে তিনি ইউপিপি থেকে বিএনপিতে যোগ দেন। পরে তিনি কৃষক দলের আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় কমিটির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ ১১ বছর বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
মান্নান ভূঁইয়া নরসিংদী-৩ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১/১১'র পটভূমিতে তার বিতর্কিত কর্মকান্ডের জন্য দল থেকে ছিটকে পড়েন। সর্বশেষ ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে পরাজিত হন। তিনি ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের শ্রম ও জনশক্তি এবং পরবর্তী সময়ে কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জোট সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ছিলেন তিনি।
প্রাক্তন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পরিবার ও আবদুল মান্নান ভূঁইয়া পরিষদের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকালে শিবপুরের ধানুয়া গ্রামে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ। বিকেলে শিবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আবদুল মান্নান ভূঁইয়া পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্মরণসভা, মিলাদ ও ইফতার মাহফিল।
উল্লেখ্য, আবদুল মান্নান ভূঁইয়া ১৯৪৩ সালের ১ মার্চে মনোহরদী উপজেলার চন্দনবাড়ী ইউনিয়নের আসাদনগর গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি শিবপুর উপজেলার মাছিমপুরে।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯৭৮ সালে মান্নান ভূঁইয়া ইউনাইটেড পিপলস পার্টির (ইউপিপি) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে তিনি ইউপিপি থেকে বিএনপিতে যোগ দেন। পরে তিনি কৃষক দলের আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় কমিটির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ ১১ বছর বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
মান্নান ভূঁইয়া নরসিংদী-৩ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১/১১'র পটভূমিতে তার বিতর্কিত কর্মকান্ডের জন্য দল থেকে ছিটকে পড়েন। সর্বশেষ ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে পরাজিত হন। তিনি ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের শ্রম ও জনশক্তি এবং পরবর্তী সময়ে কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জোট সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ছিলেন তিনি।


